কাজুবাদাম গাছের চারা গাছ
400.00 ৳
কাজুবাদাম একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর বাদাম, যা শরীরের শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক। এতে রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ভিটামিন- খনিজ। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে কাজুবাদাম খাওয়া হৃদরোগ প্রতিরোধে উপকারী।
কাজু বাদাম অত্যন্ত সুস্বাদু ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দ্রুত বর্ধনশীল, বহু বর্ষজীবী এবং চিরসবুজ বৃক্ষ। কাজুবাদাম গাছে পুরুষ এবং উভলিঙ্গ ফুল একই মুকুলে থাকে। ফুলগুলো ৫টি চোঙ্গাকার বৃতি দ্বারা আবৃত থাকে। খুব ছোট ছোট ফুল হয় যা লম্বায় প্রায় ৭-১৫ মিমি হয়। সকাল ৯টা থেকে ফুল ফোটে এবং দুপুর ১টা পর্যুন্ত পরাগায়ন চলতে থাকে। পরাগায়নের ৬-৮ সপ্তাহ পর ফলের দেখা পাওয়া যায়। প্রধানত মৌমাছি ও অন্যান কীটপতঙ্গ দ্বারা পরপরাগায়ন হয়।
কাজু গাছ বৈজ্ঞানিক নাম Anacardium occidentale; প্রতিশব্দ Anacardium curatellifolium A.St.-Hil. সপুষ্পক অ্যানাকার্ডিয়েসি পরিবারের বৃক্ষ। এটি একটি অর্থকরি ফসল। এ গাছের বীজ থেকে চারা তৈরি করা হয়। বেলে দো আশঁ মাটি অথবা পাহাড়ের ঢালে ভাল জন্মে। কাজুবাদামের উৎপত্তিস্থল ব্রাজিল সহ মধ্য আমেরিকা এবং উত্তর দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর পূর্ব ব্রাজিল। কিডনি আকৃতির বীজ কাজু বাদাম গন্ধ ও স্বাদে মিষ্টি-জাতীয়।
কাজু ফলকে কাজু আপেল বলা হয়। কাজু আপেল মূলত একটি স্যুডো ফ্রুট যার নিচে নাট বা বাদামটি ঝুলে থাকে। পরাগায়নের এক সপ্তাহ পর ছোট আকারের সবুজ রংয়ের নাট সহ আপেল দেখা যায়। প্রথমত নাটটি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ৮০% বৃদ্ধি হওয়ার পর কাজু আপেলটি বৃদ্ধি পায়। পরিপক্ব কাজু আপেল লাল, হলুদ, কমলা ইত্যাদি রঙের হয় এবং আপেলের আকার ধারণ করে।
রসালো কাজু আপেল থেকে প্রাকৃতিক বা অ্যালকোহলিক পানীয়, জ্যাম, জুস, জেলি, সিরাপ ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত করা হয়। খেতে সুস্বাদু, পুষ্টি উপাদানে ভরা কাজুবাদাম মুখে দিলে সত্যি সত্যিই ভালো হয়ে যায় মন।
এতে প্রচুর প্রোটিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ভিটামিনেরও দুর্দান্ত উৎস এটি। এতে থাকা চর্বি, আঁশ, প্রোটিন হৃদ্যন্ত্রের সুস্থতায় দারুণ ভূমিকা রাখে। ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও ভিটামিন কে-সমৃদ্ধ বলে এটি হাড়ের জন্যও উপকারী। দেহে ওজনের ভারসাম্য বজায় রাখতেও কার্যকর। লুটেন ও জিয়াক্সাথিন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখের জ্যোতি বাড়ায়, চোখে ছানি পড়ার ঝুঁকি হ্রাস করে। এতে রয়েছে কপার বা তামা, যা রক্তস্বল্পতার মতো রোগের ঝুঁকিহ্রাসে ভূমিকা রাখে। কাজুতে থাকা ফাইটোস্টেরল দেহের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্যানসার, বিশেষত কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে কাজু বেশ উপকারী। ওজন হ্রাস, রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যকর হৃদপিণ্ড গঠন, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সার প্রতিরোধ, ত্বক ও চুলের সুরক্ষায় এটি এক দারুণ পুষ্টিকর খাবার।
এর বহুমুখী ব্যবহার রয়েছে । কাজু এমনিতেই সুস্বাদু, যদি অন্য কিছুর মিশ্রণে খাওয়া হয় এর স্বাদ বেড়ে বহুগুণ। সালাদ, বিরিয়ানি, মিল্কশেক, লাচ্ছি, ক্ষীর, পায়েশ প্রভৃতি খাবারে কাজু মিশিয়ে দিলে স্বাদ বাড়ে, বাড়ে খাদ্যগুণ।
কাজু গাছ থেকে হয় কাজুবাদাম। মূলত এই গাছের ফল ‘কাজু আপেল’–এর নিচের অংশে খোসাসহ যুক্ত থাকে এই বাদাম। সেখান থেকে বাদাম আলাদা করে কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করে খোসা ছাড়িয়ে খাবারের উপযোগী করা হয়। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কাজুবাদাম উৎপন্ন হয় আইভরিকোস্টে।
MAECENAS IACULIS
Vestibulum curae torquent diam diam commodo parturient penatibus nunc dui adipiscing convallis bulum parturient suspendisse parturient a.Parturient in parturient scelerisque nibh lectus quam a natoque adipiscing a vestibulum hendrerit et pharetra fames nunc natoque dui.
ADIPISCING CONVALLIS BULUM
- Vestibulum penatibus nunc dui adipiscing convallis bulum parturient suspendisse.
- Abitur parturient praesent lectus quam a natoque adipiscing a vestibulum hendre.
- Diam parturient dictumst parturient scelerisque nibh lectus.
Scelerisque adipiscing bibendum sem vestibulum et in a a a purus lectus faucibus lobortis tincidunt purus lectus nisl class eros.Condimentum a et ullamcorper dictumst mus et tristique elementum nam inceptos hac parturient scelerisque vestibulum amet elit ut volutpat.
